ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

১০২০ দিন পর কোহলির সেঞ্চুরি, ভারতের রানের পাহাড়

বিরাট কোহলির সেঞ্চুরি! কতদিন পর শুনছেন, মনে করতে পারেন? চট করে মনে আসাটা অবশ্য কঠিন নয়। গত ৩ বছর ধরে যে কোহলির ৭১ তম সেঞ্চুরির ক্ষণগণনা চলছিল। সেঞ্চুরিকে একটা সময় ডালভাত বানিয়ে ফেলেছিলেন। সেই কোহলিই কি না সেঞ্চুরির জন্য ভুভুক্ষ হয়ে উঠেছিলেন। ইতি যে টি-টোয়েন্টি দিয়ে ঘটবে, সেটা হয়ত কোহলিও ভাবেননি। তা ভাববেনই-বা কীভাবে, এই সংস্করণে যে এটিই প্রথম সেঞ্চুরি।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুবাইয়ে এই সেঞ্চুরিটি বিশেষ কিছু হয়ে থাকবে কোহলির ক্যারিয়ারে। ইনিংস শেষে সঞ্জয় মাঞ্জেকারের সঙ্গে আলোচনায় সেটাই বলছিলেন তিনি। এটাও জানিয়ে রাখলেন, পুরোনো সেই ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। সেটা অবশ্য না বললেও চলত। ব্যাটিংয়ে বুঝিয়ে দিলে কথায় বলার প্রয়োজন খুব একটা পড়ে না। তা কেমন বুঝালেন কোহলি? ইনসাইট আউটে সময়ের সেরা লেগ স্পিনার রশিদ খানকে এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে ছক্কা মারলেন। ডাউন দ্য উইকেটে এসে পেস বোলিংয়ের বিপক্ষে আগ্রাসন দেখালেন।
আজকের পত্রিকা অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

উইকেটে কোহলির রাজকীয় উপস্থিতি। এই কোহলিকেই তো সবাই খুঁজছিলেন। ৬১ বলে ১২২ রানে অপরাজিত থাকলেন। ইনিংসে ১২ চার ও ৬ ছক্কা। স্ট্রাইক রেট কাঁটায় কাঁটায় ২০০। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ভারতের ইনিংস থেমেছে ২১২ রানে। এবারের এশিয়া কাপে প্রথম ২০০ ছাড়ানো স্কোর। আরও একটি প্রথম যোগ হয়েছে ভারতের ইনিংসে। ওপেনিং জুটিতে প্রথম শতরানের ওপেনিং জুটি। নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মার বিশ্রামে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করেন কোহলি। এই জুটি থেকে আসে ১১৯ রান। এশিয়া কাপে রানের জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করছিলেন লোকেশ রাহুল। এদিন ঝড়ের শুরুটা তাঁর ব্যাটে। তাঁর ইনিংস শেষ হয় ৬২ রানে। ভারতের ইনিংসে বলার মতো স্কোর এই দুজনেরই।

ম্যাচটা ভারতের জন্য যেমন, আফগানিস্তানের জন্যও তেমনই। নিয়মরক্ষার ম্যাচ যাকে বলে। গতকাল আফগানিস্তানকে হারিয়ে সমীকরণের কাঁটাছেটা থেকে দুই দলকে ‘মুক্তি’ দিয়েছে পাকিস্তান। শুধু ভারত-আফগানিস্তান নয়, আজকের পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচটিও শুধুই আনুষ্ঠানিকতার। ফাইনালের পোশাকি মহড়াও হয়ে যাবে এই ম্যাচে। নিয়মরক্ষার ম্যাচেও ভারতের টস-ভাগ্য খুলেনি। টস হারলেও ব্যাটে ঝড়ে কমতি ছিল না ভারতীয় ব্যাটারদের। সমীকরণের ধরাবাঁধা না থাকাই ভারত খেলেছে ‘ফ্রি হ্যান্ড’ ক্রিকেট। তাতেই রানের বোঝা চাপে আফগানদের মাথায়।

Tag :
জনপ্রিয়

মাদারদিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

১০২০ দিন পর কোহলির সেঞ্চুরি, ভারতের রানের পাহাড়

প্রকাশের সময় : ১১:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিরাট কোহলির সেঞ্চুরি! কতদিন পর শুনছেন, মনে করতে পারেন? চট করে মনে আসাটা অবশ্য কঠিন নয়। গত ৩ বছর ধরে যে কোহলির ৭১ তম সেঞ্চুরির ক্ষণগণনা চলছিল। সেঞ্চুরিকে একটা সময় ডালভাত বানিয়ে ফেলেছিলেন। সেই কোহলিই কি না সেঞ্চুরির জন্য ভুভুক্ষ হয়ে উঠেছিলেন। ইতি যে টি-টোয়েন্টি দিয়ে ঘটবে, সেটা হয়ত কোহলিও ভাবেননি। তা ভাববেনই-বা কীভাবে, এই সংস্করণে যে এটিই প্রথম সেঞ্চুরি।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুবাইয়ে এই সেঞ্চুরিটি বিশেষ কিছু হয়ে থাকবে কোহলির ক্যারিয়ারে। ইনিংস শেষে সঞ্জয় মাঞ্জেকারের সঙ্গে আলোচনায় সেটাই বলছিলেন তিনি। এটাও জানিয়ে রাখলেন, পুরোনো সেই ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। সেটা অবশ্য না বললেও চলত। ব্যাটিংয়ে বুঝিয়ে দিলে কথায় বলার প্রয়োজন খুব একটা পড়ে না। তা কেমন বুঝালেন কোহলি? ইনসাইট আউটে সময়ের সেরা লেগ স্পিনার রশিদ খানকে এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে ছক্কা মারলেন। ডাউন দ্য উইকেটে এসে পেস বোলিংয়ের বিপক্ষে আগ্রাসন দেখালেন।
আজকের পত্রিকা অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

উইকেটে কোহলির রাজকীয় উপস্থিতি। এই কোহলিকেই তো সবাই খুঁজছিলেন। ৬১ বলে ১২২ রানে অপরাজিত থাকলেন। ইনিংসে ১২ চার ও ৬ ছক্কা। স্ট্রাইক রেট কাঁটায় কাঁটায় ২০০। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ভারতের ইনিংস থেমেছে ২১২ রানে। এবারের এশিয়া কাপে প্রথম ২০০ ছাড়ানো স্কোর। আরও একটি প্রথম যোগ হয়েছে ভারতের ইনিংসে। ওপেনিং জুটিতে প্রথম শতরানের ওপেনিং জুটি। নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মার বিশ্রামে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করেন কোহলি। এই জুটি থেকে আসে ১১৯ রান। এশিয়া কাপে রানের জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করছিলেন লোকেশ রাহুল। এদিন ঝড়ের শুরুটা তাঁর ব্যাটে। তাঁর ইনিংস শেষ হয় ৬২ রানে। ভারতের ইনিংসে বলার মতো স্কোর এই দুজনেরই।

ম্যাচটা ভারতের জন্য যেমন, আফগানিস্তানের জন্যও তেমনই। নিয়মরক্ষার ম্যাচ যাকে বলে। গতকাল আফগানিস্তানকে হারিয়ে সমীকরণের কাঁটাছেটা থেকে দুই দলকে ‘মুক্তি’ দিয়েছে পাকিস্তান। শুধু ভারত-আফগানিস্তান নয়, আজকের পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচটিও শুধুই আনুষ্ঠানিকতার। ফাইনালের পোশাকি মহড়াও হয়ে যাবে এই ম্যাচে। নিয়মরক্ষার ম্যাচেও ভারতের টস-ভাগ্য খুলেনি। টস হারলেও ব্যাটে ঝড়ে কমতি ছিল না ভারতীয় ব্যাটারদের। সমীকরণের ধরাবাঁধা না থাকাই ভারত খেলেছে ‘ফ্রি হ্যান্ড’ ক্রিকেট। তাতেই রানের বোঝা চাপে আফগানদের মাথায়।