ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
হোসেনপুর থানা পুলিশের সহায়তায়

মানসিক প্রতিবন্ধী মা এবং শিশু ফিরে গেল তার আপন ঠিকানায়

এস এম রিফাত,হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ০৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুমদি ইউনিয়নের জগদল বাজারে মানসিক প্রতিবন্ধী ফারজানা, বয়স অনুমান ২৫ বছর, ঠিকানা-অজ্ঞাত সঙ্গে থাকা তার শিশুকন্যা মরিয়ম (৪) কে শাসন করতে থাকা অবস্থায় বাজারে উপস্থিত লোকনিজন অস্বাভাবিক শাসন করার কারণ জানতে চায়।

প্রতিবন্ধী মায়ের সাথে থাকা শিশুটি প্রকৃত অর্থেই তার কিনা সন্দেহ হওয়ায় পুমদি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মোঃ আসাদ এবং কয়েকজন মিলে প্রতিবন্ধী মা এবং শিশুকে হোসেনপুর থানায় নিয়ে আসলে হোসেনপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান টিটু এবং নারী,শিশু ও প্রতিবন্ধী হেল্পডেক্সের নারী এসআই / নাজমা আক্তার প্রতিবন্ধী মা এবং তার সাথে থাকা শিশুকে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনে জিজ্ঞাসাবাদে এবং প্রতিবন্ধী মা ও শিশুর আচরণ দেখে নিশ্চিত হন যে প্রতিবন্ধী মা প্রকৃত অর্থেই শিশুটির গর্ভধারীনি মা। তাছাড়া প্রতিবন্ধী মায়ের বিচ্ছিন্নভাবে প্রদত্ত তথ্যের সমন্বয়ে ধারণা করেন যে কিশোরগঞ্জ সদর থানার এলাকায় তাহার নিকট আত্মীয়স্বজন রয়েছে।

হোসেনপুর থানা পুলিশের সরকারি গাড়ি যোগে মানসিক প্রতিবন্ধী মা এবং তার চার বছরের শিশুকন্যাকে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের বাখরখিলা গ্রামে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে পৌঁছে দেওয়া হয় আপন ঠিকানায়। উক্ত ঘটনায় হোসেনপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুদ আলম সত্যতা নিশ্চিত করেন।

Tag :
জনপ্রিয়

মাদারদিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

হোসেনপুর থানা পুলিশের সহায়তায়

মানসিক প্রতিবন্ধী মা এবং শিশু ফিরে গেল তার আপন ঠিকানায়

প্রকাশের সময় : ০৯:৩১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

এস এম রিফাত,হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ০৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুমদি ইউনিয়নের জগদল বাজারে মানসিক প্রতিবন্ধী ফারজানা, বয়স অনুমান ২৫ বছর, ঠিকানা-অজ্ঞাত সঙ্গে থাকা তার শিশুকন্যা মরিয়ম (৪) কে শাসন করতে থাকা অবস্থায় বাজারে উপস্থিত লোকনিজন অস্বাভাবিক শাসন করার কারণ জানতে চায়।

প্রতিবন্ধী মায়ের সাথে থাকা শিশুটি প্রকৃত অর্থেই তার কিনা সন্দেহ হওয়ায় পুমদি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মোঃ আসাদ এবং কয়েকজন মিলে প্রতিবন্ধী মা এবং শিশুকে হোসেনপুর থানায় নিয়ে আসলে হোসেনপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান টিটু এবং নারী,শিশু ও প্রতিবন্ধী হেল্পডেক্সের নারী এসআই / নাজমা আক্তার প্রতিবন্ধী মা এবং তার সাথে থাকা শিশুকে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনে জিজ্ঞাসাবাদে এবং প্রতিবন্ধী মা ও শিশুর আচরণ দেখে নিশ্চিত হন যে প্রতিবন্ধী মা প্রকৃত অর্থেই শিশুটির গর্ভধারীনি মা। তাছাড়া প্রতিবন্ধী মায়ের বিচ্ছিন্নভাবে প্রদত্ত তথ্যের সমন্বয়ে ধারণা করেন যে কিশোরগঞ্জ সদর থানার এলাকায় তাহার নিকট আত্মীয়স্বজন রয়েছে।

হোসেনপুর থানা পুলিশের সরকারি গাড়ি যোগে মানসিক প্রতিবন্ধী মা এবং তার চার বছরের শিশুকন্যাকে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের বাখরখিলা গ্রামে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে পৌঁছে দেওয়া হয় আপন ঠিকানায়। উক্ত ঘটনায় হোসেনপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুদ আলম সত্যতা নিশ্চিত করেন।