ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিপদসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপরে মুহুরী নদীর পানি

ফেনীর ফুলগাজীতে মুহুরী নদীর ২টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে লোকালয়ে ঢুকছে পানি। এছাড়া সীমান্তের ওপারে ভারতে প্রবল বৃষ্টিপাতে উজান থেকে নেমে আসা পানিতে ফুলেফেঁপে উঠছে মুহুরী নদীর পানি। ফলে ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম পয়েন্ট মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে এ বছর দ্বিতীয় দফায় বন্যার কবলে পড়েছে স্থানীয়রা।

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে গত শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে ফুলগাজী বাজারে গার্ডওয়ালের ওপর দিয়ে ফেনী মুহুরী নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে দোকানপাটের মালামাল নষ্ট হচ্ছে। রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে ফেনী-পরশুরাম সড়কের ফুলগাজী বাজার অংশও প্লাবিত হয়। এবং সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ফেনীর ফুলগাজীতে মুহুরী নদীর ফুলগাজীর দক্ষিণ দৌলতপুর ও উত্তর দৌলতপুর গ্রামের মুহুরী নদীর ২টি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে করে ক্ষিপ্র গতিতে লোকালয়ে পানি ঢুকে। মানুষের ঘরবাড়ি এবং মাছের ঘের পানিতে ভেসে যায়।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফেনী-পরশুরাম সড়কের ফুলগাজী ব্রিজের উত্তর পাশে দারুল উলুম মাদরাসার ওপর দিয়ে ফেনী-পরশুরাম সড়ক থই থই করছে পানি।

ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এক ফুটের ওপর পানিতে। এছাড়াও ফুলগাজীতে মুহুরী নদীর ফুলগাজীর দক্ষিণ দৌলতপুর ও উত্তর দৌলতপুর গ্রামের মুহুরী নদীর ২টি স্থানে বাঁধ ভেঙে গিয়েছে।
ফুলগাজী বাজারের স্থানীয়রা ব্যবসায়ীরা জানান, ড্রেনের মুখ খোলা থাকায় মুহুরী নদীর পানির সঙ্গে বাজারের ময়লা-আবর্জনাও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে ফুলগাজীর দক্ষিণ দৌলতপুর ও উত্তর দৌলতপুর গ্রামের স্থানীয়রা বলছেন,
প্রতিবছর এভাবে বন্যার পানিতে আমাদের দুইটি গান তলিয়ে গিয়েছে। এতে সরকারের কিছু ক্ষতি হলেও কিছু অসাধু ঠিকাদার লাভবান হবে। কারণ প্রত্যেক বেরিবাদ ভাঙার পর মাত্র কাজ করে টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যায় ঠিকাদার। আমরা এর খাই সমাধান চাই।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের দ্বিতীয় দফায় প্লাবনের তৈরি হয়। এর আগে গত ২০ জুন চারটি স্থানে ভাঙ্গনের ফলে ২০ টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছিলো। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আক্তার হোসেন মজুমদার জানান, এখন পর্যন্ত বাধেঁর দুটি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দেয়। আমাদের লোকজন কাজ করছে। সর্বশেষ ১৬ ঘণ্টায় বিপৎসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

পুকুরে ধরা পড়ল রুপালী ইলিশ

বিপদসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপরে মুহুরী নদীর পানি

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৭:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

ফেনীর ফুলগাজীতে মুহুরী নদীর ২টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে লোকালয়ে ঢুকছে পানি। এছাড়া সীমান্তের ওপারে ভারতে প্রবল বৃষ্টিপাতে উজান থেকে নেমে আসা পানিতে ফুলেফেঁপে উঠছে মুহুরী নদীর পানি। ফলে ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম পয়েন্ট মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে এ বছর দ্বিতীয় দফায় বন্যার কবলে পড়েছে স্থানীয়রা।

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে গত শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে ফুলগাজী বাজারে গার্ডওয়ালের ওপর দিয়ে ফেনী মুহুরী নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে দোকানপাটের মালামাল নষ্ট হচ্ছে। রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে ফেনী-পরশুরাম সড়কের ফুলগাজী বাজার অংশও প্লাবিত হয়। এবং সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ফেনীর ফুলগাজীতে মুহুরী নদীর ফুলগাজীর দক্ষিণ দৌলতপুর ও উত্তর দৌলতপুর গ্রামের মুহুরী নদীর ২টি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে করে ক্ষিপ্র গতিতে লোকালয়ে পানি ঢুকে। মানুষের ঘরবাড়ি এবং মাছের ঘের পানিতে ভেসে যায়।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফেনী-পরশুরাম সড়কের ফুলগাজী ব্রিজের উত্তর পাশে দারুল উলুম মাদরাসার ওপর দিয়ে ফেনী-পরশুরাম সড়ক থই থই করছে পানি।

ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এক ফুটের ওপর পানিতে। এছাড়াও ফুলগাজীতে মুহুরী নদীর ফুলগাজীর দক্ষিণ দৌলতপুর ও উত্তর দৌলতপুর গ্রামের মুহুরী নদীর ২টি স্থানে বাঁধ ভেঙে গিয়েছে।
ফুলগাজী বাজারের স্থানীয়রা ব্যবসায়ীরা জানান, ড্রেনের মুখ খোলা থাকায় মুহুরী নদীর পানির সঙ্গে বাজারের ময়লা-আবর্জনাও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে ফুলগাজীর দক্ষিণ দৌলতপুর ও উত্তর দৌলতপুর গ্রামের স্থানীয়রা বলছেন,
প্রতিবছর এভাবে বন্যার পানিতে আমাদের দুইটি গান তলিয়ে গিয়েছে। এতে সরকারের কিছু ক্ষতি হলেও কিছু অসাধু ঠিকাদার লাভবান হবে। কারণ প্রত্যেক বেরিবাদ ভাঙার পর মাত্র কাজ করে টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যায় ঠিকাদার। আমরা এর খাই সমাধান চাই।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের দ্বিতীয় দফায় প্লাবনের তৈরি হয়। এর আগে গত ২০ জুন চারটি স্থানে ভাঙ্গনের ফলে ২০ টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছিলো। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আক্তার হোসেন মজুমদার জানান, এখন পর্যন্ত বাধেঁর দুটি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দেয়। আমাদের লোকজন কাজ করছে। সর্বশেষ ১৬ ঘণ্টায় বিপৎসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে।