ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাধা এলেও রাজপথ ছাড়বে না বিএনপি

বিএনপির তিনজন নেতার প্রাণহানি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এক মাস ধরে সারা দেশে কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। এসব কর্মসূচি পালন করার সময় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দলীয় নেতাকর্মীরা সরকারে থাকা দল ও পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এসব বাধা এবং পুলিশি তৎপরতায় তিনজন দলীয় কর্মীর প্রাণহানির প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় আরো ১৬টি আঞ্চলিক সমাবেশ করছে বিএনপি।

এখন পর্যন্ত ৫টি সমাবেশ হলেও মিরপুর এবং বনানীর সমাবেশে হামলার শিকার হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এত কিছুর পর দলের ঘোষিত কর্মসূচি থেকে পিছু হটতে চান না বিএনপি নেতারা।

দলের প্রধান কর্যালয়ের হিসাব মতে, ঢাকাসহ সারা দেশে প্রায় শতাধিক সমাবেশে বাধা এবং হামলা চালানো হয়। বাধা সৃষ্টি করে পুলিশ। এসব হামলায় দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। সরকারি দল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলা-মামলার মুখে পড়েও ঘোষিত প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে পিছু হটতে চায় না দলটি। তবে প্রতিটি সমাবেশে কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়ানোর তাগাদা দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের বাধা এলে সম্মিলিতভাবে তা প্রতিরোধ করার কথাও বলা হয়েছে। ঢাকার দুটি সমাবেশে হামলার পর দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠকে এ মতামত উঠে আসে।

রাজধানীর বনানীতে গত শনিবার রাতে মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচিতে সরকারি দলের হামলা এবং এদিন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ ভুলুর উপর সন্ত্রাসী হামলার পর জরুরি ভিত্তিতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে রাজধানীতে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো যে কোনো মূল্যে শেষ করতে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ঢাকার এসব সমাবেশে জনসমাগম বাড়াতে রাজধানীর অন্য এলাকা থেকে লোকজন জড়ো করে সমাবেশকে বড় করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ এবং সরকারি দলের যে কোনো তৎপরতাকে প্রতিহত করার কথাও আলোচনা হয় বৈঠকে। তবে এত ঘন ঘন সমাবেশ ডাকা এবং এসব কর্মসূচিতে লোকজনের উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। তাই বিরতি দিয়ে সমাবেশ ডাকার বিষয়ে জোর দেন নেতারা।

এ ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান সরকারের সময় আন্দোলন সংগ্রাম করা কোনোভাবেই সহজ কাজ নয়। সরকার ও সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনীকে উপেক্ষা করেই রাজপথে থাকতে হবে। আর সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে হলেও বিএনপি নেতাকর্মীরা মাঠে আছে। গত ১২ বছর ধরে বিএনপি সরকারের দমন-পীড়নের মুখে আছে। সামনে আরো বেশি হবে, এমনটা ধরে নিয়েই বিএনপি সামনে এগুচ্ছে।

রাজধানীতে নতুন করে হামলার পর দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, রাজপথে বিএনপিকে এমন খারাপ পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে, এমনটা ধরে নিয়েই সামনে আরো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকতে হবে। এদিকে রাজধানীর পল্টন এবং প্রেস ক্লাব এলাকার বাইরে বিএনপিকে গণজমায়েত করতে দিতে রাজি নয় আওয়ামী লীগ। এসব সমাবেশ ঠেকাতে বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করতে পারে বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা।

এদিকে বিএনপির দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে থানা-উপজেলা-পৌর এলাকায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি ছিল। এই ২০ দিনে সারা দেশে মোট মামলা হয়েছে ৫২টি। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টু ও যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে সাড়ে ৫ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ২৩ হাজার ১৫০ জনের অধিক। এছাড়া নিহত হয় তিনজন। জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম সিকদারসহ সারা দেশে গ্রেপ্তার হয়েছেন ২৮৪ জন।

কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনিসহ সারা দেশে আহত হয়েছেন ২ হাজার ৬৬৮ জন। দেশের ২৫টি স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরীর বাড়ি এবং চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টু ও অ্যাডভোকেট আহম্মেদ আজম খানের গাড়িতে হামলা এবং দেশে ৫০টি স্থানে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে।

এসব হামলার বিষয়ে বিএনপি নেতারা বলছেন, সরকার যে এমনটা করবে তা আমরা আগেই বুঝেছি। যেদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আমাদের গণভবনে চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছেন এবং পুলিশকে বলেছেন রাজপথে আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার না করতে- সেদিনই বুঝে গেছি আসলে কী হতে যাচ্ছে।

তারা বলেন, আগে থেকেই ৩৫ লক্ষাধিক মামলা দিয়ে যেহেতু বিএনপির নেতাকর্মীদের দমানো যায়নি, সেখানে নতুন করে এই গায়েবি মামলার ফাঁদ কোনো কাজে আসবে না। তারা যেখানে মৃত্যুভয়কে পেছনে ফেলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে মাঠে নেমেছে, সেখানে হামলা-মামলার ভয় নিতান্তই তুচ্ছ। তারা মনে করেন, বিএনপি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেই। সেজন্য সরকার যত কৌশল গ্রহণ করুক না কেন, তা কাজে আসবে না।

এ বিষয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, পুলিশ গুলি চালিয়ে ৩ নেতাকে হত্যা করেছে। ২২ আগস্ট থেকে বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মোট মামলা হয়েছে ৫২টি। নেত্রকোনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, বরগুনা, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, ঝালকাঠিতে গুলি করে বিএনপি নেতাকর্মীসহ ছাত্রদল, যুবদলের কর্মীদের শরীর ও চোখণ্ডমুখ ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে তারা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তাদের মধ্যে অনেকে চোখ, হাত ও পা হারিয়েছেন। অনেক নেতাকর্মী শরীরে গুলি নিয়ে হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন।

Tag :
জনপ্রিয়

মাদারদিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

বাধা এলেও রাজপথ ছাড়বে না বিএনপি

প্রকাশের সময় : ১০:০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিএনপির তিনজন নেতার প্রাণহানি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এক মাস ধরে সারা দেশে কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। এসব কর্মসূচি পালন করার সময় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দলীয় নেতাকর্মীরা সরকারে থাকা দল ও পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এসব বাধা এবং পুলিশি তৎপরতায় তিনজন দলীয় কর্মীর প্রাণহানির প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় আরো ১৬টি আঞ্চলিক সমাবেশ করছে বিএনপি।

এখন পর্যন্ত ৫টি সমাবেশ হলেও মিরপুর এবং বনানীর সমাবেশে হামলার শিকার হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এত কিছুর পর দলের ঘোষিত কর্মসূচি থেকে পিছু হটতে চান না বিএনপি নেতারা।

দলের প্রধান কর্যালয়ের হিসাব মতে, ঢাকাসহ সারা দেশে প্রায় শতাধিক সমাবেশে বাধা এবং হামলা চালানো হয়। বাধা সৃষ্টি করে পুলিশ। এসব হামলায় দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। সরকারি দল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলা-মামলার মুখে পড়েও ঘোষিত প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে পিছু হটতে চায় না দলটি। তবে প্রতিটি সমাবেশে কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়ানোর তাগাদা দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের বাধা এলে সম্মিলিতভাবে তা প্রতিরোধ করার কথাও বলা হয়েছে। ঢাকার দুটি সমাবেশে হামলার পর দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠকে এ মতামত উঠে আসে।

রাজধানীর বনানীতে গত শনিবার রাতে মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচিতে সরকারি দলের হামলা এবং এদিন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ ভুলুর উপর সন্ত্রাসী হামলার পর জরুরি ভিত্তিতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে রাজধানীতে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো যে কোনো মূল্যে শেষ করতে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ঢাকার এসব সমাবেশে জনসমাগম বাড়াতে রাজধানীর অন্য এলাকা থেকে লোকজন জড়ো করে সমাবেশকে বড় করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ এবং সরকারি দলের যে কোনো তৎপরতাকে প্রতিহত করার কথাও আলোচনা হয় বৈঠকে। তবে এত ঘন ঘন সমাবেশ ডাকা এবং এসব কর্মসূচিতে লোকজনের উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। তাই বিরতি দিয়ে সমাবেশ ডাকার বিষয়ে জোর দেন নেতারা।

এ ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান সরকারের সময় আন্দোলন সংগ্রাম করা কোনোভাবেই সহজ কাজ নয়। সরকার ও সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনীকে উপেক্ষা করেই রাজপথে থাকতে হবে। আর সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে হলেও বিএনপি নেতাকর্মীরা মাঠে আছে। গত ১২ বছর ধরে বিএনপি সরকারের দমন-পীড়নের মুখে আছে। সামনে আরো বেশি হবে, এমনটা ধরে নিয়েই বিএনপি সামনে এগুচ্ছে।

রাজধানীতে নতুন করে হামলার পর দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, রাজপথে বিএনপিকে এমন খারাপ পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে, এমনটা ধরে নিয়েই সামনে আরো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকতে হবে। এদিকে রাজধানীর পল্টন এবং প্রেস ক্লাব এলাকার বাইরে বিএনপিকে গণজমায়েত করতে দিতে রাজি নয় আওয়ামী লীগ। এসব সমাবেশ ঠেকাতে বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করতে পারে বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা।

এদিকে বিএনপির দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে থানা-উপজেলা-পৌর এলাকায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি ছিল। এই ২০ দিনে সারা দেশে মোট মামলা হয়েছে ৫২টি। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টু ও যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে সাড়ে ৫ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ২৩ হাজার ১৫০ জনের অধিক। এছাড়া নিহত হয় তিনজন। জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম সিকদারসহ সারা দেশে গ্রেপ্তার হয়েছেন ২৮৪ জন।

কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনিসহ সারা দেশে আহত হয়েছেন ২ হাজার ৬৬৮ জন। দেশের ২৫টি স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরীর বাড়ি এবং চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টু ও অ্যাডভোকেট আহম্মেদ আজম খানের গাড়িতে হামলা এবং দেশে ৫০টি স্থানে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে।

এসব হামলার বিষয়ে বিএনপি নেতারা বলছেন, সরকার যে এমনটা করবে তা আমরা আগেই বুঝেছি। যেদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আমাদের গণভবনে চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছেন এবং পুলিশকে বলেছেন রাজপথে আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার না করতে- সেদিনই বুঝে গেছি আসলে কী হতে যাচ্ছে।

তারা বলেন, আগে থেকেই ৩৫ লক্ষাধিক মামলা দিয়ে যেহেতু বিএনপির নেতাকর্মীদের দমানো যায়নি, সেখানে নতুন করে এই গায়েবি মামলার ফাঁদ কোনো কাজে আসবে না। তারা যেখানে মৃত্যুভয়কে পেছনে ফেলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে মাঠে নেমেছে, সেখানে হামলা-মামলার ভয় নিতান্তই তুচ্ছ। তারা মনে করেন, বিএনপি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেই। সেজন্য সরকার যত কৌশল গ্রহণ করুক না কেন, তা কাজে আসবে না।

এ বিষয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, পুলিশ গুলি চালিয়ে ৩ নেতাকে হত্যা করেছে। ২২ আগস্ট থেকে বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মোট মামলা হয়েছে ৫২টি। নেত্রকোনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, বরগুনা, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, ঝালকাঠিতে গুলি করে বিএনপি নেতাকর্মীসহ ছাত্রদল, যুবদলের কর্মীদের শরীর ও চোখণ্ডমুখ ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে তারা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তাদের মধ্যে অনেকে চোখ, হাত ও পা হারিয়েছেন। অনেক নেতাকর্মী শরীরে গুলি নিয়ে হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন।