শিরোনাম
পাবনায় পদ্না নদীতে গোসলে নেমে আপন দুই ভাইসহ ৩ শিশুর মৃত্যু বিদ্যুৎকর্মীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা,খুলে নিলো গ্রাহকদের মিটার আজাদ সিদ্দিকী-দীপুল- বৃষ্টির শপথ গ্রহন কালের কণ্ঠের দেশসেরা সাংবাদিকের উপর হামলা বিএফইউজেসহ বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় জাহিদপুর উইমেন্স কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম অনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু বিল বকেয়া,চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন স্বাধীন গণমাধ্যমে হুমকি ও কণ্ঠ রোধের অপচেষ্টা,প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন কালিগঞ্জে মন্দিরের প্রসাদ খেয়ে শিশুর মৃত্যু, ৭০ জন চিকিৎসাধীন নওয়াবেঁকী গণমূখী ফাউন্ডেশনের অনিয়ম দূর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানীর প্রতিবাদে মানববন্ধন তালতলীতে মৎস অফিসারের অনিয়মের অভিযোগ জেলেদের মাঝে গরু বিতরণ বন্ধ
মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪
মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪
মা দিবস

সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরা অসাধারণ অনুভূতি

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image


“মা মানে তো দুটো আঙ্গুল, হাঁটতে শেখার গান

জন্ম, জগৎ-জীবন জুড়ে দুঃখ জয়ের তান।

মা সকলের মাথার উপর সুশীতল এক ছায়া

মা হলো ঠিক, একাই তিনি এক সমুদ্র মায়া।”


মা ছোট্ট একটি শব্দ, এমন একটি ডাক যার পরশ সুশীতল এক ছায়া, অষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা অসাধারণ মায়া।

কিছুদিন আগে একটা লেখা পড়েছিলাম (লেখকের নাম মনে নেই) যেখানে একজন জাপানি বৃদ্ধ সৈনিক ট্রেনে বসা তার সহযাত্রীকে প্রসঙ্গক্রমে স্মৃতিচারণে বলছেন, “আমি যুদ্ধ ক্ষেত্রে কত মানুষকে মারা যেতে দেখেছি। তাদের মধ্যে যারা বয়স্ক অর্থাৎ সন্তানাদি আছে তারা মৃত্যুর পূর্বে সন্তানের কথা স্মরণ করছেন আর যাদের সন্তান নেই অর্থাৎ অল্প বয়সের তারা চিৎকার করে তার মাকে ডাকছেন। এটাই বাস্তবতা। আমি কেন মৃত্যুমুখ থেকে বেঁচে ফিরেছি জানো? কারণ, আমার মা আমার বাধ্যতামূলক যুদ্ধযাত্রার সময় বলেছিলেন, “তুমি কথা দাও বাবা, যুদ্ধের পর আমাদের আবার দেখা হবে।”

আমরা জানি পবিত্র ইসলাম ধর্মে মাকে সুমহান মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করা হয়েছে। যেখানে আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ (সঃ) পিতামাতার প্রতি সন্তানের কর্তব্য বুঝাতে গিয়ে প্রথম তিনবারই বলেছেন মায়ের কথা, চতুর্থবার বলেছেন বাবার কথা।

 

মাতৃত্ব আসলে কেমন?

একবার ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষ চূড়ান্ত পরীক্ষার প্রত্যবেক্ষক ছিলাম। দুইজন বয়স্ক মহিলা যারা নিজেরা দুইটি ফুটফুটে বাচ্চার নানু, বারান্দায় হাটাহাটি করছেন তাদেরকে কোলে নিয়ে। এ দৃশ্য আমাদের কাছে অতি পরিচিত যখন থেকে চাকরিতে আছি। কারণ অনেক ছাত্রীদের পড়াশুনা করা অবস্থায় বিয়ে হয়ে যায়। এক থেকে ছয় মাস বয়সী বাচ্চারা মায়ের বুকের দুধ ব্যতীত বাইরের খাবারে অভ্যস্ত হয় না। তাছাড়া পরীক্ষার চার ঘন্টা এবং আসা যাওয়ার আরো অনেকটা সময় বাচ্চা না খেয়ে থাকতে পারে না। তাই বাচ্চাকে কেন্দ্রে নিয়ে আসে এবং পরীক্ষার মাঝখানে মা বাইরে এসে বাচ্চাকে খাইয়ে দিয়ে যায় ২/৩ বার। একটি বাচ্চা পাঁচ মাস বয়স, খুব কাঁদছিলো। বাচ্চাটির নানু কিছুতেই থামাতে পারছেন না। আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। মা এসে একবার দুধ খাইয়ে গেছেন। তবু থামছে না। কারণ মায়ের কাছে সবসময় থেকে অভ্যস্ত বাচ্চাটি বাইরের পরিবেশে আরাম পাচ্ছে না।মা,বাচ্চা,বাচ্চার নানি/দাদির এই লড়াই, মাতৃত্বের লড়াই।

একবার আমার বিভাগে রসায়ন এর একটা বিষয়ের ইনকোর্স পরীক্ষা নিচ্ছি। আমার এক ছাত্রী বাচ্চাকে নিয়ে এসেছে। কারণ বাড়িতে কেউ নেই তাকে রাখার মতো। একটা ছোট্ট বৈদ্যুতিক পাখা নিয়ে এসেছে সাথে করে যেনো গরম না লাগে কারণ বাবুটা গরম সহ্য করতে পারে না। হাঁটতে শিখেনি তখনও। বয়স এক বছরের কম হবে। মেয়েকে কোলে নিয়েই ছাত্রী আমার পরীক্ষা শুরু করলো। কিন্তু চঞ্চল মেয়ে বাবুটা একটু পরপর কলম টেনে নিচ্ছে না হয় খাতা ধরে টানছে। লিখতে দিচ্ছে না কিছুতেই, হয়তো ও মনে করছে মা মনোযোগ দিচ্ছে না তার দিকে। আমি আমার কোলে নিতে চাইলাম তাও আসলো না। শেষ পর্যন্ত এভাবে পরীক্ষা শেষ করলো ছাত্রীটি।

আবার এমন ও দেখেছি, ব্যবহারিক পরীক্ষা চলছে, ছাত্রীর দশ ঘন্টা আগে অপারেশন করে বাচ্চা হয়েছে, এম্বুলেন্সে করে কলেজে এসেছে শুধু মাত্র স্বাক্ষর করার জন্য, অনুপস্থিত যেনো না হতে হয়। তাহলে পরেরবার এই পরীক্ষাটা দিলেই হবে।

আমি নিজে একজন চাকরিজীবী মা, তাই এমন পরিস্থিতি আমাকেও প্রতিনিয়ত সামাল দিতে হয়েছে। বাসা থেকে বের হতে গেলে বাচ্চাদের কান্নায় নিজের চোখ ভিজে যেতো।আমার সেই লড়াই এর পুরোভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন, আমার সন্তানদের সারাদিন আগলে রেখেছেন আমার মা। আমিও বলি, মায়ের মূল্য তাই, গাঁয়ের চামড়া দিয়ে মাকে পাপোস বানিয়ে দিলেও শোধ হয় না, হতে পারে না। এটাই সত্যিই।

আগে তেমন বুঝিনি। মা কি বুঝেছি নিজের সন্তান হওয়ার পর। যখন নিজে মা হয়েছি। সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরা, এ এক অসাধারণ অনুভূতি! মা ডাকে প্রাণটা জুড়িয়ে যায়। সন্তানের অসুস্থতা মায়ের পৃথিবীটা অন্ধকার করে দেয়।

সন্তানের সান্নিধ্যে ভালো থাকুন পৃথিবীর সকল মায়েরা, মা দিবসে এই শুভ কামনা।রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বা ইয়ানিস সাগিরা।

 

হামিদা আনজুমান 

ছড়াকার, কবি

সহযোগী অধ্যাপক, নরসিংদী সরকারি কলেজ।


আরও খবর




পাবনায় পদ্না নদীতে গোসলে নেমে আপন দুই ভাইসহ ৩ শিশুর মৃত্যু

বিদ্যুৎকর্মীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা,খুলে নিলো গ্রাহকদের মিটার

আজাদ সিদ্দিকী-দীপুল- বৃষ্টির শপথ গ্রহন

কালের কণ্ঠের দেশসেরা সাংবাদিকের উপর হামলা বিএফইউজেসহ বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড়

মধ্যনগরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৮শত পরিবারের মধ্যে ত্রাণের চাল বিতরণ

জাহিদপুর উইমেন্স কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম অনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু

বিল বকেয়া,চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

স্বাধীন গণমাধ্যমে হুমকি ও কণ্ঠ রোধের অপচেষ্টা,প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন

কালিগঞ্জে মন্দিরের প্রসাদ খেয়ে শিশুর মৃত্যু, ৭০ জন চিকিৎসাধীন

নওয়াবেঁকী গণমূখী ফাউন্ডেশনের অনিয়ম দূর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানীর প্রতিবাদে মানববন্ধন

তালতলীতে মৎস অফিসারের অনিয়মের অভিযোগ জেলেদের মাঝে গরু বিতরণ বন্ধ

মেলান্দহে গাঁজাসহ মাদক কারবারী কারাগারে

শ্রীবরদীতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে অবৈধ বালু জব্দ

তিতাসে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন সাংবাদিক কবির হোসেন

ভোলায় বিআরটিএ অফিসের সিন্ডিকেটের নায়ক নাজু দালাল

বেনজীরের রিসোর্টের পুকুর থেকে গোপনে মাছ বিক্রির চেষ্টা, দুদকের মামলা

বাড়ীর কাছে পেয়ে সাংবাদিক বিশ্বজিৎ এর ওপর হামলা, হামলাকারী মিশু গ্রেপ্তার

পাবনার চিনাখড়া গোরস্থানের পাঁচটি কবর থেকে কঙ্কাল চুরি

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, সম্পাদকের সাক্ষর জাল করে কমিটি গঠন:

নিজ প্রতিষ্ঠান নিয়ে শিক্ষার্থীদের অন্তহীন অভিযোগ! ভরসা অতিথি শিক্ষক

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৮ কিলোমিটার যানজট

আক্কেলপুরে বাস চালককে জরিমানা করায় পথ অবরোধ

নিখোঁজ সংবাদঃ

ঘাটাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই

শেরপুরে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বসতবাড়ি ভাঙচুর করে জায়গা দখলের অভিযোগ

ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ এস আই গজারিয়ার শাহ আলম

কণ্ঠশিল্পী শরীফের গৌরবময় পথচলা

দিনাজপুরে শ্যামলী পরিবহনের ধাঁক্কায় এ্যাম্বুলেন্স চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু

কালকিনিতে বাজার কমিটির সভাপতির পায়ের রগ কর্তন

কালিগঞ্জে এনজিও’র প্রতারণার ফাঁদে ৪ অসহায় পরিবার,প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

সব যন্ত্রণা ভুলে গিয়েছিলাম পুত্রের মুখ দেখে

চেয়ারে বসে কোমরে ব্যথা? ৩ ব্যায়াম অভ্যাস করতে পারেন

শিশুর রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

কেমন হবে বৈশাখের সাজ

Pioneering Pathways: Exploring Jute Geotextiles in Road Construction

তারুণ্যের ভাবনায় নারী দিবস

অবিবাহিত ছিলাম বলে চাকরিটা হয়নি

সিজারিয়ানের পর পিঠব্যথা হলে যা করবেন

কীভাবে বুঝবেন আপনি একজন ব্যর্থ মানুষ

বাল্যবিয়ে-দেরিতে সন্তান, বাড়ছে শিশুর জন্মগত ত্রুটি